এনক্রিপশন ভাঙতে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের কম খরচ: কিউ-ডে আসছে!
নতুন গবেষণা বলছে, এনক্রিপশন ভাঙতে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের জন্য ভাবনার চেয়ে অনেক কম সম্পদের প্রয়োজন হবে। কিউ-ডে আরও কাছে এলেও, আতঙ্কিত না হয়ে প্রস্তুতির সময় এসেছে।
নতুন গবেষণা বলছে, এনক্রিপশন ভাঙতে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের জন্য ভাবনার চেয়ে অনেক কম সম্পদের প্রয়োজন হবে। কিউ-ডে আরও কাছে এলেও, আতঙ্কিত না হয়ে প্রস্তুতির সময় এসেছে।
ডেনমার্কের নিলস বোর ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা কিউবিটের আচরণ রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণের এক যুগান্তকারী পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের স্থায়িত্ব ও স্কেলিংয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
ন্যানো-সেকেন্ডে কিউবিটের আচরণ শনাক্ত করার নতুন প্রযুক্তি কোয়ান্টাম কম্পিউটারের স্থিতিশীলতা ও প্রসারে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। নিলস বোর ইনস্টিটিউটের গবেষকরা রিয়েল-টাইম মনিটরিং সিস্টেম তৈরি করেছেন যা কিউবিটের দ্রুত ফ্লাকচুয়েশনকে ১০০ গুণ দ্রুত ট্র্যাক করে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি নতুন আলোর ফাঁদ তৈরি করেছেন যা কোয়ান্টাম কম্পিউটার স্কেলিংয়ের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান করতে পারে। এই ক্ষুদ্র অপটিক্যাল ক্যাভিটিগুলি দক্ষতার সাথে এটম থেকে আলো সংগ্রহ করে, যা একসাথে বহু কিউবিট পড়তে সাহায্য করে। এটি মিলিয়ন কিউবিট কোয়ান্টাম কম্পিউটার এবং কোয়ান্টাম নেটওয়ার্ক তৈরির পথ খুলে দিতে পারে।
সাধারণত কোয়ান্টাম কম্পিউটার ঠান্ডা রাখতে হিমশিম খেতে হয়, কিন্তু সুইডেনের বিজ্ঞানীরা শব্দকে ব্যবহার করেই কোয়ান্টাম কম্পিউটার ঠান্ডা করার এক অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে এবং এরর রেট কমিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।