Skip to content

এআই দেখবে ব্রেন এমআরআই, সেকেন্ডে মিলবে রিপোর্ট

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এমন এক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করেছেন যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ব্রেন এমআরআই স্ক্যান বিশ্লেষণ করে জরুরি অবস্থা শনাক্ত করতে পারে এবং দ্রুত চিকিৎসার পথ খুলে দেয়। এই মডেল ৯৭.৫% পর্যন্ত নির্ভুলতা অর্জন করেছে, যা অন্য অনেক উন্নত এআই টুলের (AI Tools) তুলনায় অনেক বেশি।

অক্টোপাসের মতো স্মার্ট ত্বক: রূপ পাল্টায়, ছবি লুকায়!

পেন স্টেটের বিজ্ঞানীরা অক্টোপাসের অনুপ্রেরণায় এমন একটি স্মার্ট হাইড্রোজেল তৈরি করেছেন যা ইচ্ছেমতো চেহারা, গঠন ও আকার পরিবর্তন করতে পারে। এই কৃত্রিম ত্বক ছবি লুকাতে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য প্রকাশ করতে সক্ষম, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

ছোট আলোর ফাঁদেই কোয়ান্টাম কম্পিউটারের নতুন দিগন্ত

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি নতুন আলোর ফাঁদ তৈরি করেছেন যা কোয়ান্টাম কম্পিউটার স্কেলিংয়ের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান করতে পারে। এই ক্ষুদ্র অপটিক্যাল ক্যাভিটিগুলি দক্ষতার সাথে এটম থেকে আলো সংগ্রহ করে, যা একসাথে বহু কিউবিট পড়তে সাহায্য করে। এটি মিলিয়ন কিউবিট কোয়ান্টাম কম্পিউটার এবং কোয়ান্টাম নেটওয়ার্ক তৈরির পথ খুলে দিতে পারে।

সচেতনতা: কেন বিজ্ঞান এর সংজ্ঞা খুঁজছে?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নিউরোটেকনোলজির দ্রুত অগ্রগতির সাথে সাথে সচেতনতার সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সচেতনতা কী তা বুঝতে না পারলে মানবজাতি গভীর নৈতিক ঝুঁকির মুখে পড়বে। এই ব্লগ পোস্টে আমরা আলোচনা করব কেন বিজ্ঞানীরা সচেতনতার সংজ্ঞা খোঁজার জন্য এত মরিয়া এবং এর প্রভাব কী হতে পারে।

শব্দেই কোয়ান্টাম ঠান্ডা: বিজ্ঞানীরা পেলেন নতুন পথ

সাধারণত কোয়ান্টাম কম্পিউটার ঠান্ডা রাখতে হিমশিম খেতে হয়, কিন্তু সুইডেনের বিজ্ঞানীরা শব্দকে ব্যবহার করেই কোয়ান্টাম কম্পিউটার ঠান্ডা করার এক অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে এবং এরর রেট কমিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

এআই বনাম মানুষ: সৃজনশীলতার যুদ্ধে কে সেরা?

একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, জেনারেটিভ এআই নির্দিষ্ট কিছু সৃজনশীল পরীক্ষায় গড়পড়তা মানুষের চেয়ে ভালো করছে। তবে সত্যিকারের সৃজনশীলতার চূড়ায় মানুষই সেরা, বিশেষত গভীর আবেগ ও শৈল্পিক দৃষ্টিতে।

কোয়ান্টাম কম্পিউটারের দুর্বলতা: হ্যাকারের নতুন লক্ষ্য?

কোয়ান্টাম কম্পিউটারগুলি বিস্ময়কর ক্ষমতা নিয়ে এলেও, পেন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণা বলছে, এদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। শুধু সফটওয়্যারেই নয়, এদের হার্ডওয়্যারের গভীরেও থাকতে পারে দুর্বলতা, যা সংবেদনশীল ডেটা এবং অ্যালগরিদমকে হ্যাকারদের কাছে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

রোবটের মুখ আর ভয় দেখাবে না?

কলম্বিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং-এর নতুন রোবট আয়নায় নিজেকে দেখে এবং মানুষের অনলাইন ভিডিও থেকে ঠোঁটের নড়াচড়া শিখেছে, যা রোবটকে আরও বাস্তবসম্মত করে তুলেছে এবং ‘আনক্যানি ভ্যালি’ অতিক্রম করতে সাহায্য করতে পারে। এই যুগান্তকারী আবিষ্কার রোবটদেরকে কম ভীতিকর করে তুলবে এবং মানব-রোবট মিথস্ক্রিয়ায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

The Breakthrough That Makes Robot Faces Feel Less Creepy

Humans pay enormous attention to lips during conversation, and robots have struggled badly to keep up. A new robot developed at Columbia Engineering learned realistic lip movements by watching its own reflection and studying human videos online. This allowed it to speak and sing with synchronized facial motion, without being explicitly programmed. Researchers believe this breakthrough could help robots finally cross the uncanny valley.